বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন

দেশের প্রথম ক্রাউডফান্ডিং প্ল্যাটফর্ম “একদেশ”- এর মাধ্যমে যাকাত বা অনুদান পৌঁছে দিন প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনসহ নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানসমূহে। ভিজিট করুন ekdesh.ekpay.gov.bd অথবা “Ek Desh” অ্যাপ ডাউনলোড করুন। করোনার লক্ষণ দেখা দিলে গোপন না করে ডাক্তারের পরামর্শের জন্য ফ্রি কল করুন ৩৩৩ ও ১৬২৬৩ নম্বরে। ভিজিট করুন corona.gov.bd

বাংলাদেশ একটি বৃহৎ সমতল ব-দ্বীপ যা তিনটি বড় নদী যথাঃ গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র এবং মেঘনার প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের প্রভাবে গঠিত যেখানে প্রচুর পানি, সমভূমি এবং প্রায় গ্রীষ্মমণ্ডলীয় জলবায়ুর প্রভাব ধানের জন্য তৈরি করেছে চমৎকার এক উর্বরভূমি। ঐতিহাসিকভাবে সংস্কৃতিগত ও ধর্মীয় আচারানুষ্ঠানের সঙ্গে যুগ যুগ ধরে ভাত এদেশের মানুষের প্রধান খাদ্য হিসেবে পরিচিত। দ্রুতগতিতে দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে ধানের উৎপাদন এবং খাদ্যের চাহিদার মধ্যে বিস্তর ব্যবধান তৈরি হচ্ছে। ফলে ধান উৎপাদনে আমূল পরিবর্তনের মাধ্যমে ক্রমবর্ধিষ্ণু জনসংখ্যার খাদ্যের চাহিদা মেটাতে উচ্চ ফলনশীল ধানের জাতের মাধ্যমে স্বল্প ফলনশীল সনাতন ধানের জাত ও প্রাচীন পদ্ধতির উৎপাদন প্রক্রিয়ার প্রতিস্থাপন এবং প্রযুক্তিগত উন্নতি প্রয়োজন। এ উপমহাদেশে ধান গবেষণা ১৯১০ সাল থেকে শুরু হলেও ষাটের দশকের মাঝামাঝি এসে গতি প্রাপ্ত হয়।

দেশের খাদ্য নিরাপত্তা এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার গুরুত্ব অনুধাবন করে ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর দেশের রাজধানী শহর ঢাকা থেকে ৩৬ কিলোমিটার উত্তরে গাজীপুরে ৭৬.৮২ হেক্টর জমি নিয়ে স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ( ইপিআরআরআই) প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে জয়লাভের পর পরিবর্তিত নাম হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)।

বাংলাদেশ রালেজ ব্যাং